বিস্মৃতির এক হত্যাকান্ডঃ মাল্যে গণহত্যা

৯২ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ। লংগদু বাজারের দিন, চারদিকে চলছে জমজমাট বাজার। একজন পাহাড়ি কাঁচা তরকারির খুপড়ি নিয়ে বাজারের দিকে হেঁটে আসছে। বাজারে প্রবেশ করার পর একটি জুতসই জায়গার খোঁজ করছে সে। হঠাৎ করে খেয়াল করলো একজন সৈনিক এসে তার খুপড়ির মাঝে কি যেন রেখে দিচ্ছে। একটু পরে সে বুঝতে পেরে “বোমা” “বোমা” বলে চিৎকার করে উঠল। চারপাশে মানুষ জড়ো হয়ে গেল এবং সে সৈনিকটিকে হাতেনাতে ধরা হল। ধরা পড়ার পর সৈনিকটিকে শাস্তি প্রদান করল তার অফিসার। শাস্তিঃ কানে ধরে উঠাবসা!

এটি একটি ছোট ঘটনা, কিন্তু যদি নিরীহ পাহাড়িটি বুঝতে না পারতো কি রেখে দেয়া হচ্ছে তাহলে হয়তো পত্রিকায় শিরোনাম হত “সন্ত্রাসবাদী সংগঠন শান্তিবাহিনীর বোমা হামলায় নিহত ….” বা আরো অন্য কিছু। ঘটনার অন্তরালে কি হয়েছিল বা কি ঘটেছিল তা আড়ালেই থেকে যেত। উপরের উল্লেখিত ঘটনাটি কিন্তু কোন মিডিয়াতেই আসে নি কারণ বড় কোন ঘটনা নয়। কিন্তু এই ঘটনাই পরবর্তীতে হতে পারত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের আরেকটি উদাহরণ।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2896

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ প্রসঙ্গে

১.ভূমিকা:

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যসহ এই অঞ্চলের ভাষিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনাচার পদ্ধতি ও ধরণ বাংলাদেশের অপরাপর অঞ্চলের ভূ-গঠন প্রকৃতি ও অধিবাসীদের আচরিত জীবন ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নতর। ভিন্ন এই অঞ্চলের সমাজ, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কাঠামো। ভুমি ব্যবস্থাপনায়ও রয়েছে মৌলিক পার্থক্য। সুনিদির্ষ্টভাবে যদি বলি, ১৯৪৭ এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চল শাসনের জন্য সমতল ও পাহাড়ের এই সমস্ত মৌলিক স্বাতন্ত্র্যের ক্ষেত্রগুলোকে বিবেচনায় না এনে শাসকগোষ্ঠি কতৃর্ক ধারাবাহিকভাবে সমগ্র দেশের জন্য শাসনের অভিন্ন মানদন্ড প্রয়োগের প্রবণতার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৯০০ শাসন বিধি নামক বিশেষ আইনের উপস্থিতি সত্ত্বেও এখানকার জনগোষ্ঠির ব্যাপক অশিক্ষা ও অসচেতনতার কারনে এই পার্বত্য ভূ-খন্ডের আদিবাসীরা ব্যাপক ও ক্রমাগত বঞ্চনার শিকার হয়েছে।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2885

আদিবাসী ও ইনডিজেনাস পিপলস: বাংলাদেশ

বাংলাদেশে প্রস্তাবিত সংবিধান পরিবর্তন সংক্রান্তত চলমান আলোচনায় আদিবাসী বা ইনপিজিনাস পিপলস বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক কথাবার্ত আমাকে এ বিষয়ে আমার অবস্থান বা মতামত প্রদানে উদ্বুদ্ধ করেছে।
আমারা কোন না কোন স্থানীয় অধিবাসী(indigenous or native)কিন্তু তাই বলে আমরা সকলেই আদিবাসী নই। আদিবাসী হওয়াটা নির্ভর কর প্রথমত, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় কর্তৃক ও প্রতিষ্ঠানের প্রেক্ষিতে জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক অবস্থনের উপর। অ-উপনিবেশায়নের ফলে সৃষ্ট রাষ্ট্রসমূহ, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান পরবর্তীতে বাংলাদেশ রয়েছে মোটামুটিভাবে ঔপনবেশিক সময়ের সীমানা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রসমূহ প্রথম থেকেই স্থানীয় জনগণের ইচ্ছা বা প্রয়োজন নয় বরঞ্চ ঔপনিবেশিক ও সামরিক যুক্তির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2869

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বেদখল ও ভূমি থেকে উচ্ছেদ প্রক্রিয়াঃ কিছু প্রসঙ্গ কথা

মহাশ্বেতা দেবীর একটি উক্তি দিয়ে শুরু করিঃ আদিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগের কোন সংবাহন বিন্দু তৈরী করিনি আমরা। অনাবিষ্কৃত রেখেই ধীরে সভ্যতার নামে ধ্বংস করেছি এক মহাদেশ।….. আমরা তো ওদের ভালবাসিনি, সম্মান করিনি। আর এই ভালবাসা ও সম্মানের ঘাটতি ছিল বলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার-বঞ্চনার অচলায়তন দাঁড়িয়ে আছে মাথা উচুঁ করে। নীতি-নৈতিকতা ভূলুষ্ঠিত হয়েছে। মানবিকতা ও বিবেকবোধ নির্মমভাবে পদপিষ্ঠ হয়েছে। এখানকার বহু বর্ণময় ভাষা ও সংস্কৃতির বাহক এগারটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অস্তিত্ব ও পরিচয়ের সংকট আজ হুমকির মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। এই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কিংবা আদিবাসীদের বিপন্ন অস্তিত্বের সঙ্গে বন ও ভূমি বিচ্ছিন্নতার একটি গভীর সংযোগ রয়েছে। সারা পৃথিবীব্যাপী আদিবাসীদের মধ্যে অনেকগুলোর মিলের মধ্যে অন্যতম মিল হলো ভূমি-লগ্ন জীবিকা, যেখানে তারা বন ও ভূমিকে বাণিজ্যের কিংবা মুনাফার অংশ হিসেবে নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীরা বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2862

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী গণহত্যাঃ প্রসঙ্গত পাহাড়

আগের ব্লগপোস্টে উল্লেখ করেছিলাম, ১৯৮০ সালের ২৫ মার্চ ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড,পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম গণহত্যা (কলমপতি হত্যাকাণ্ড)। বিভিন্ন পাঠক মহল বিভিন্ন রকমের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে এটিই প্রথম গণহত্যা নয়। লেখার শুরুতেই আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইছি।

 ইতিহাস

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন। তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের খুবই ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের একজন। ফলে ৬০ সালের কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণকালে তিনি কোনরূপ বিরোধিতা করেননি। মুক্তিযুদ্ধেও তিনি পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করায় চাকমাদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয়। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান করার মধ্য দিয়ে অনেকে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। আবার কিছু সংখ্যক পাহাড়ি যুবক রাজাকার, মুজাহিদ এবং সিভিল আর্মড ফোর্সে ভর্তি হয়ে ট্রেনিং নেয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর চাকমা রাজার মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার কারণে, চাকমা জাতিসত্তার সবাইকে রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আর এর ফলশ্রুতিতে,পার্বত্য চট্টগ্রামে সাধারণ-নিরীহ চাকমাদের ওপর মুক্তিবাহিনী ধরপাকড় থেকে শুরু করে লুণ্ঠন, অগ্নি সংযোগ,হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। ’৭১-এর শেষ দিকে এবং ’৭২ সাল পর্যন্ত এ সকল হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। গ্রেফতার করা হয় প্রায় শত শত চাকমা যুবককে এবং পরবর্তীতে শেখ মুজিবের সাধারণ ক্ষমার আওতায় তাদের মুক্তি দেয়া হয়।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2857

আমাদের শিক্ষাদীক্ষা, প্রগতিশীল চেতনা, জাতপাত প্রেমের হালচাল

লজ্জা করে যখন কোন কিছুর চাপে পড়ে নিজেকে কোন মহৎ বা কল্যাণকর কাজে কুঁকড়ে যেতে দেখি। কখনো কখনো নিজের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গতে ইচ্ছে করে এই ভেবে যে, কেন যে আমি এমন অকর্মা রয়ে গেলাম বা হলাম- যখন দেখি সমাজের চিহ্নিত সুসভ্যরা দিব্যি পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙছেন বা পরকে ঠকিয়ে আপনার তরে সবই লুফিয়ে নিতে চাচ্ছেন বা অহেতুক ঝামেলা হবে ভেবে মানবিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন দেখে! আমরাও তো পারি! আমরা কি পারিনা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে কিছু বিদ্যালয় বা সমাজের কল্যাণকর তেমন কিছু বিনির্মাণ করতে বা পরিচালনার উদ্যোগ হাতে নিতে? তাহলে কেন আমরা ফ্রান্স বা অন্যান্য বিদেশঅলাদের দিকে চেয়ে আছি? আমরা কেন যে শুধু সরকার বা বিদেশিদের দিকে হা করে চেয়ে থাকি? … এইসব নিয়ে মানুষ হিসেবে আমি যখন আমাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা বা কর্তব্যবোধ নিয়ে চিন্তা করি তখন আমাকে কেবল লজ্জাই গ্রাস করে ফেলে…।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2853

কলমপতি (কাউখালি) হত্যাকান্ডঃ রাষ্ট্রীয় মদদে পাহাড়ের প্রথম গণহত্যা

খাগড়াছড়ি সদরের শাপলা চত্বর থেকে গোলাবাড়ি যাওয়ার পথের নাম শহীদ কাদের সড়ক। ১৯৭১ সালে ক্যাপ্টেন কাদের মহালছড়িতে মারা যান ভারতের বিদ্রোহী মিজোদের সাথে সম্মুখ সমরে এবং পরবর্তীতে তাঁর নামানুসারে এই রোডের নামকরণ করা হয়।

এই ছোট্ট ইতিহাস থেকে আরো অনেক বড় ইতিহাস উঠে আসে যে ইতিহাস পাহাড়ের ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে এবং সেই সাথে পাহাড়িদের উপর অত্যাচারের একটি ধারাও সবার কাছে প্রকাশিত হয়ে পড়ে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর পাকিস্তান সরকার ভারতের বিদ্রোহী মিজোদের মদদ দেয় ছায়াযুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধের অংশ হিসেবে। স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে মিজোরা পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থান করতো এবং সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহ চালিয়ে যাবার জন্য পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ট্রেনিং ও অস্ত্র সরবরাহ করা হতো নিয়মিত। তাই মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মিত্র ভারতকে খুশি করতে মুক্তিবাহিনী বা মুজিববাহিনীকে প্রায়ই লড়াই করতে হতো মিজোদের সাথে। এমন একটি যুদ্ধে ক্যাপ্টেন কাদের মারা যান।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2845

বাবুছড়ায় রাষ্ট্রীয় দখলবাজীর বর্তমান পরিস্থিতি

হিল ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি যাচাইয়ের জন্য আমরা আবার সরেজমিনে গিয়েছিলাম বাবুছড়ায়। গত ১০ তারিখে বিজিবি-আর্মি-সেটেলার কর্তৃক পাহাড়ি গ্রামবাসীদের উপর হামলা সংঘটিত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়েছে। আপনারা জানেন, গত ৭ জুলাই রাঙ্গামাটিতে সম-অধিকার আন্দোলন, বাঙালি ছাত্র পরিষদসহ ৬টি সংগঠন সিএইচটি কমিশনের উপর হামলা করে। এর আগে দিঘীনালা ভূমি রক্ষা কমিটির ডাকে দীর্ঘ ১০ কিমি মানববন্ধন প্রোগ্রামটি নিরাপত্তার অজুহাতে ১৪৪ ধারা জারি করে বাতিল করে দেয় প্রশাসন। ঘটনার মোড় বর্তমানে অন্যদিকে প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা আমরা অবিরত  দেখতে পাচ্ছি অনলাইন থেকে শুরু করে ব্লগসাইট ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের অপপ্রচারের মাধ্যমে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি এখন রাঙ্গামাটিতে সংঘটিত হামলার ঘটনার উপরেই নিবদ্ধ। ফলে ঘটনার সূত্রপাত অনেকটা আড়ালেই চলে গিয়েছে। তাই বিষয়টিকে আবার সামনে নিয়ে আসার জন্য আমরা গিয়েছিলাম বাবুছড়া হাইস্কুলে যেখানে বর্তমানে ২১টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া পরবর্তীতে যত্ম মোহন কার্বারি পাড়ায় গিয়ে বিজিবি ব্যাটেলিয়ন দপ্তরও তার আশপাশের এলাকাও ঘুরে এসেছি।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2833

সবার জন্য শিক্ষা দর্শন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় নীতির প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা

আমরা জানি, বাংলাদেশের১৬ কোটি জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশের অধিক বাঙালি। অবশিষ্ট জনসংখ্যার মধ্যে রয়েছে ৪৫ টির অধিক ক্ষুদ্র জাতির মানুষ। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, মনিপুরী, রাখাইন, হাজং, কোচ, মুণ্ডা প্রভৃতি হচ্ছে এসকল ক্ষুদ্র জাতিসমুহের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাম; যারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঐতিহাসিকভাবে বসবাস করে আসছে। এসকল ক্ষুদ্র জাতির মানুষেরা একসময় নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে ছিল যথেষ্ট বলীয়ান ও সমৃদ্ধ। কিন্তু কালের বিবর্তে তারা আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত। ভাষা, শিক্ষাদীক্ষা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিসহ অন্যান্য মানবিক নাগরিক অধিকার,শক্তি, সম্পদ ও সমৃদ্ধি প্রভৃতির ক্ষেত্রে তারা আজ বিরাট সংকটে পতিত, সমস্যায় জর্জরিত।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2826

নাজমুল আহসানের পাহাড় টুয়েন্টিফোরে প্রকাশিত এক ব্লগ পোস্টে পাহাড় বিষয়ক কিছু মিথ্যাচারের জবাবে………

সিএইচটি কমিশন নিয়ে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সাংবাদিক ও অনলাইন এক্টিভিস্ট জনাব নাজমুল আহসানের লেখা “সিএইচটি কমিশন, গো হোম, ইউ আর ড্রাংক” লেখাটি pahar24.com এ পড়লাম। মোটামুটি লেখার হাত ভালো বলতে হবে লেখকের। তিনি খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন কিভাবে পাহাড়িদের উপর সিএইচটি কমিশন দয়া বর্ষণ করার মাধ্যমে সেটেলারদের উপর অন্যায় করছে এবং তিনি লেখায় বারবার বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিষয়টিও এনেছেন।

লিংক সিএইচটি কমিশন, গো হোম, ইউ আর ড্রাংক” 

লেখায় তিনি স্বীকার করেছেন তিনিও নিরপেক্ষ নন। হ্যাঁ, আমরা কেউ নিরপেক্ষ নই। নাজমুল আহসানও নন, আমিও নই। তিনি কিসের পক্ষে দাড়িয়েঁছেন সেটা তিনি বলেছেন। এবার আমার পালা। আমি কার পক্ষে দাঁড়াচ্ছি সেটা সহজেই বুঝতে পারা যায়। আমি দাঁড়াচ্ছি নিপীড়িত পাহাড়িদের পক্ষে, সেটেলার-আর্মিদের বিপক্ষে। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2818

Page 4 of 27« First...23456...1020...Last »