হাঁটতে হাঁটতে যা দেখি

১।

আমরা অনন্তকাল ধরে হেঁটে চলেছি অসংখ্য সূর্যাস্তের পরে। আমাদের সবার গন্তব্য ঘর্মাক্ত গুহার দিকে যেখানে আলোহীন সমস্ত জগত বর্তমান-অতীত-ভবিষ্যত থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। পথ চলতে আমরা অনভ্যস্ত, তাই এই পিছিল পথে আমাদের চলা সতর্ক হলেও কাদা না মাড়িয়ে সম্মুখযাত্রা অসম্ভব। আমরা সকলেই ভদ্রতার চশমা পড়ে নর্দমায় নামি এবং ভোরের আলো ফোঁটার আগেই ছিঁড়ে ফেলি আমাদের নিজস্বতা; লোকজ সংস্কৃতি, নৃগোষ্ঠির জীবনধারায় লালিত চেতনা, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবাহী পোষাক- পিনোন, খাদি, থামি। এবং চাষ করি অন্যতার সংস্কৃতি, গায়ে জড়িয়ে নিই পাশ্চাত্যের দামী পোষাক; হতে চাই পণ্যের বাজারের একেকটি প্রাণবন্ত ডামী। ফলে আমাদের মাঝে “আমরা”র বদলে খুঁটি গেড়ে বসে থাকে “আমি”। এই মানসিকতা সর্বত্র- জরায়ু থেকে রূভোঘর(লাশ বাহন) পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। তবুও স্বপ্নিল শূন্যগর্ভে ভেসে বেড়ানোর অক্ষমতা আমাদের নেই, যেমনটা পাখিদের সহজাত প্রবৃত্তি ও উড়ার ক্ষমতাকে বন্দী করা যায় না কোন শাসনে। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1578

আমার মত ফেলুদের জন্য’’’’ যারা এই মুহূর্তে হতাশায় ডুবে আছ

    • আজ অনেকে হাসবে অনেকে কাঁদবে। যারা হাসবে তাদের নিয়ে এক্সট্রা আনন্দ উচ্ছ্বাসের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না; ম্যালা আনন্দে ওরা এমনিতেই ভাসবে! আমার চিন্তা তাদের নিয়ে যারা কাঁদবে যারা আজ কেন আগামী একটা বছর একটা যন্ত্রণায় ভুগবে ঠিক আমার মত! বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1574

বাজার ফেরত্‌ কলাছড়া

ন’ পরে তে কারো চোগৎ, তে!

তে অলদে ইজ্ঞু বাজার ফেরত্‌ কলাছড়া।

 

গেরোজো ঘরৎ আওজর ধন্‌ তে’

ভরন্দি আদাম এল তা চম্পক্‌নগর

ন’ চিনে হাট, ন চিনে বাজার

কোচপানা থবেল আজার আজার। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1570

প্রশ্ন

বাঙলা সিনেমা দেখিতেছিলামঃ

নায়ক কহিল, “মিনা (নায়িকা) আমার বুকে, আমি বেঁচে থাকতে আমার ভালবাসাকে কেউ কেড়ে নিতে পারবে না”

নায়িকার বাপ কহিল,“আমার মেয়ে আমার জান। আমার জান তোর বুকে থাকতে পারে না! আমি তোর বুকে গুলি করে আমার জানকে বের করে নেব! ”

নায়ক ফিরতি জবাব দিল, “বুকে গুলি করবেন না আমার ভালোবাসা ব্যাথা পাবে! আপনি মাথায় গুলি করুন। ”

অতপর’ বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1561

ইউপিডিএফ-এর জন্মদিন ও কিছু চাওয়া

ইউপিডিএফ-এর জন্মদিন ও কিছু চাওয়া

শুরুতে বলে রাখি, আমার আজকের লেখাটা একটু অগোছালো। এলোমেলো ভাবনাগুলো তাড়াহুড়ো করে এখানে তুলে ধরছি ইউপিডএফ-এর জন্মদিন উপলক্ষে।

আজকে ফেসবুক ‍খুলেই চোখে পড়লো আগামীকাল ২৬ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে ইউপিডিএফ তার ১৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে।কয়েকটা নিউজ লিংক চোখে পড়লো, এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইউপিডিএফ-এর সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসা ও সাধারণ সম্পাদক রবিশংকর চাকমা বিবৃতি দিয়েছেন। জনগণকে সংগ্রাম শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তারা জেএসএস (সন্তু লারমা)-এর প্রতি ঐক্য-সমঝোতার আহবান জানিয়েছেন।সাধারণ পাঠক হিসেবে নিউজ লিংকগুলোর মাধ্যমে তাদের বক্তব্য পাঠ করেছি। অন্যান্য প্রতিবেদন বা বিবৃতির তুলনায় এবারে প্রসিত খীসা ও রবি শংকর চাকমার বিবৃতি অনেক মার্জিত ও গোছানো বলে মনে হয়েছে। অন্যান্য বারের মত এবার তারা অসৌজন্যমূলক ভাষা ব্যবহার করে জেএসএস (সন্তু লারমা)-এর সাথে ঐক্য-সমঝোতার আহবান জানাননি। বরং মৈত্রীপূর্ণ চিত্তে তারা ঐক্য-সমঝোতার ডাক দিয়েছেন এবং ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের ফলে কীভাবে জুম্মজনগণ ভোগান্তির শিকার ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এই ইতিবাচক মনোভঙ্গি ও সৌজন্যমূলক ভাষা প্রয়োগের জন্যে তাৎক্ষণিকভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদেরকে আমার ধন্যবাদ বার্তা পাঠিয়েছি।আশা করবো, অন্যপক্ষ অর্থাৎ জেএসএস (সন্ত লারমা)-এর শত প্ররোচনা-উস্কানি ইত্যাদি সত্ত্বেও ইউপিডিএফ ভাবাবেগে উত্তেজিত না হয়ে এরকম ইতিবাচক মনোভঙ্গি পোষণ ও সৌজন্যমূলক ভাষা প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1531

ফেলাজিয়ের প্রশ্নঃ ইউপিডিএফ-এর চুক্তিবাস্তবায়ন সহযোগিতার মানে কী?

ফেলাজিয়ের প্রশ্নঃ ইউপিডিএফ-এর চুক্তিবাস্তবায়ন সহযোগিতার মানে কী?

ঠিক খ্যাতির বিড়ম্বনা নয়, আমার বেলায় কখনো কখনো ঘটে ব্লগের বিড়ম্বনা। অনেকে মেইল করে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন, আবার কেউ কেউ গালি মারেন।রাজনীতি সংক্রান্ত কোন পোস্ট দিলে তো আর কোন কথাই নেই। কারোর বিপক্ষে গেলে ওদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। তখন জুটে বিভিন্ন উপাধি আর গালি।এর বিপরীতটাও আছে। কিছু কিছু ছাত্র আছেন যারা তাদের ক্লাশ প্রেজেন্টেশনের জন্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক লেখার রেফারেন্স চেয়ে আমাকে ই-মেইল করেন, পরামর্শ চান কীভাবে তাদের থিসিসের জন্যে তথ্য সহযোগিতা দিতে পারি। পরামর্শ চান, তাদের প্রেজেন্টেশনের সময় কীভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।এসবই হয়েছে ব্লগের কারণে।আমিও চেষ্টা করে আসছি গালি ও উপাধিগুলো সাদরে গ্রহণ করার। সেই সাথে যারা তথ্য সহযোগিতা চান তাদের তথ্য সহযোগিতা দেওয়ার।এসব করছি বলে আরো একটা উপাধি পেতে হবে জানতাম না। সেই উপাধিটা আজকে পেলাম পুরনো এক পরিচিত জনের কাছ থেকে।এই উপাধিটা একেবারে নেতিবাচক অর্থে তা নয়, তিনি খুব ইতিবাচক অর্থে বলেছিলেন। সেই উপাধিটা হলো “নরম শোয়দেন”। সঠিক বাংলা কিংবা ইংরেজীর প্রতিশব্দ কী হবে জানি না। আমি একটা আক্ষরিক অনুবাদ দিলাম, “নরম শয়তান”। কীভাবে এ উপাধিটা পেলাম সেই গল্পের কথা বলছি। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1499

অতঃপর আমি নি:সঙ্গ শেরফা?

অতঃপর আমি নি:সঙ্গ শেরফা?

আজকে ফেসবুক খুলেই চোখে পড়লো ফেসবুক বন্ধু হেগাবগা চাঙমার স্ট্যাটাস। তিনি লিখেছেন,

চলতি পথে আর কবে ফেইসবুকে দেখা হবে এই অনিশ্চত প্রশ্নকে সামনে রেখে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। কিছুদিন আগে এভাবে চলে গিয়ে অনেক প্রাণবন্ত আলোচনাগুলো মিস করেছিলাম। হয়তো আবারো মিস হবে কোন প্রানবন্ত আলোচনা, মিস করবো বন্ধুদের আড্ডামুখর দিনগুলো। ওডং দা,আমিত দা, কার্বারী, সেদাম দা, আলোড়ন দা, দেবী দিদিদের প্রতি থাকলো বিশেষ কৃতজ্ঞতা।অনিয়মিত ছাত্রটির মত অফ আওয়ারে চেষ্টা থাকবে এই জগতটাকে মাঝে মধ্যে একটু তু মেরে যাওয়ার। সবাইকে শুভেচ্ছা সহ ধন্যবাদ।”

বিদায় শব্দটি শুনলে আমার খুব খারাপ লাগে। হেগাবগা চাঙমা “আজকের মত বিদায়” বললেও “চলতি পথে আর কবে দেখা হবে” তার কোন নিশ্চয়তা দেননি। তাই মনটা আরো একটু ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো। তবে মন্তব্যের শেষ তিনি বলেছেন, অনিয়মিত ছাত্রের মত তিনি মাঝে মধ্যে এসে ঢুঁ মেরে যাবেন। হঠাৎ করে তার এরকম অনিয়মিত ঢুঁ মারার কথা শুনলেও সেটা আদৌ হবে কী না বুঝতে পারছি না। তিনি যদি ফেসবুকে না আসেন তাহলে তার জোরালো লেখনি, স্পষ্ট বক্তব্য ও মন্তব্য হতে আমরা বঞ্চিত হবো। এটা খারাপ লাগারই কথা। সেকারণে হেগাবগার বিদায়ের বাণী দেখে বন্ধুবর পপি দেওয়ান প্রশ্ন রাখলেন, বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1482

"অমিত হিলের" নামে "হিল" (Hill) উপাধি কেনো ? অতঃপর নতুন চেতনার জাগরণ ।।

“অমিত হিলের” নামে “হিল” (Hill) উপাধি কেনো ? অতঃপর নতুন চেতনার জাগরণ ।।

“হিল” (Hill) এর বাংলা হচ্ছে “পাহাড়”, যা “পর্বত” (mountain) থেকে ভিন্ন নিঁচু এবং ঢালু শ্রেনীর ভূমিমালা । সেই অনেক কথা, অনেক অজানার ইতিহাস যা পাতিহাসকেও হার মানাবে । একদিন কলেজে এক বাঙালী ছাত্র (আমার বন্ধু) জিঞ্জেস করল যে, “জুম্ম” শব্দের মানে কি ? আমি আমার মতো করে বললাম, 'জুম্ম' হচ্ছেন তারা যারা জুমিয়া চাষ করে জীবনধারণ করেন; সেদিন এর পিছনে যে এক বড়ধরনের রাজনৈতিক পটভুমি ছিল তা ব্যাখ্যা করিনি । ব্যাখ্যা করিনি বলে আমি নতুন চিন্তা উন্মেষ ঘটানোর সুযোগ পেয়েছিলাম সেদিন । ভাবতে ভাবতে আমার পাহাড়ের কথা মনে পড়ে যায় । চিন্তা করি জুম্ম না বলে পাহাড়ি বললে কেমন হয়, যাতে করে সবাই সহজে বুঝবে এবং পাল্টা প্রশ্ন করবে না । তাছাড়া, দিনেদিনে পরিবেশ/গাছ-পালা/জঙ্গল নিয়ে সচেতন হয়ে উঠি । তাই, জুম্ম পরিচয় দিতে গিয়ে জুম চাষের কথা মনে পড়ে যায়, যে চাষের জন্য অনেক ছোট-বড় গাছ উজার করতে হয় । আগেকার দিনে সেটালার বাঙালীদের আবাস গড়ে না উঠাতে ইচ্ছা করলে আমাদের পাহাড়ীরা এক জায়গা থেকে সহজে অন্য  জায়গায় জুম চাষের জন্য স্থান নির্বাচন করতে পারতো । এখন সেদিন আর নেই । সেটেলার বাঙালীরা ও এখন পাহাড় উজার করে বসতি করছে, লাকরি কেটে বাজারে বিক্রি করছে । বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1459

পার্বত্য চট্রগ্রামে উদ্ভাস্তু বাঙালীদের সাথে একসাথে বসবাস করা কি আদৌ সম্ভব ?

পার্বত্য চট্রগ্রামে উদ্ভাস্তু বাঙালীদের সাথে একসাথে বসবাস করা কি আদৌ সম্ভব ?

পার্বত্য চট্রগ্রামে যেসব বাঙালী সরকারের সহযোগিতায় এসেছেন, সবাই উদ্ভাস্তু বাঙালী । রাগ করবেন না । সত্য মেনে নিন যে আপনাদেরকে উদ্ভাস্তু করা হয়েছে । আপনারা সরকারের বরাদ্ধকৃত জায়গায় বসবাস করছেন । ‘উদ্ভাস্তু’ শব্দটি নিশ্চয় তাদের জন্য নয়, যারা নিজেরা এসে জায়গা কিনে ঘর করেছেন। বরং যারা জোড়পূর্বক অন্যের দখলি জায়গা কেড়ে নিয়েছেন, অথবা সরকারের সাহায্য এসেছেন । বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1450

নিরন চাকমার জবাবে (২য় পর্ব) এবং নিরন চাকমা’র জবাব

নিরন চাকমার জবাবে (২য় পর্ব)

প্রিয় নিরনবাবু

আমার জবাবের প্রেক্ষিতে আপনার জবাব চোখে পড়লো। তার জন্যে আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। তবে সত্যি বলতে কী আমি একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম আপনার লেখার জবাবে আরো জবাব লিখবো কী না, পাছে “তর্ক” হয়ে যায়। পরক্ষণে মনে হলো, তর্ক হোক তাতে অসুবিধে নেই, কিন্তু যাতে ঝগড়া না হয়। অন্তত আপনার সাথে ঝগড়া হবে না এই বিশ্বাস আমার আছে। সেই বিশ্বাস থেকে আবারো জবাব লেখা। জবাব লেখার আগে চাকমাদের সম্পর্কে আমার অভিমতটা আগে বলে নিই। ব্রিটিশদের কথামত চাকমারা “তর্কপ্রিয়” কি না জানি না। তবে আমার পর্যবেক্ষণ মতে, আমরা চাকমারা যুক্তি দিয়ে তর্ক করতে জানি না। যা করি তা হলো ঝগড়া। যেমন এই ফেসবুকে কতই না গালিগালাজ করে তর্ক হয়েছিলো এবং এখনো হয়। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন.. »

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/1431

Page 19 of 27« First...10...1718192021...Last »