«

»

এই লেখাটি 727 বার পড়া হয়েছে

Print this প্রকাশনা

বিশ্বাসের ভাইরাস

সুমন চাকমা, পেশায় প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক । প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক হলেও চিন্তা-চেতনায় সে যথেষ্ট প্রগতিশীল । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করে মাসখানেক হল এলাকার প্রাইমারী স্কুলে জয়েন করেছে । স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সুমন খুবই জনপ্রিয় হয়ে গেছে এই ক-মাসে । কারন, সে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে বন্ধুর মত আচরন করে । তাদের সাথে হেসে হেসে গল্প করে । বাড়ির সবার কুশলাদি জিজ্ঞেস করে, বিভিন্ন গল্পের বই উপহার দেয়, কারোর পড়াশোনায় কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা, বাড়ি বাড়ি ঘুরে খোজ নেয় । কিন্তু স্কুলের অন্যান্য স্যার-ম্যাডামেরা সুমনের এসব কার্যক্রমকে ভাল চোখে দেখে না ।

মাস্টার হবে মাস্টারের মত । ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কিসের এত হাসাহাসি ? গল্প ? এভাবে ব্যবহার করলে ছেলেপেলে মাথায় উঠে নাচবে । তাছাড়া, কিসের জন্য এসব গল্পের বই দেওয়া ? গল্পের বই পড়লে, স্কুলের পড়াটা পড়বে কখন ?

ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের বই পড়বে, পরীক্ষায় বেশি বেশি নাম্বার পাবে । তবেই না স্কুলের নাম উজ্জ্বল হবে, সমাজে মুখ উজ্জ্বল হবে । গল্পের বই পড়ে কি আর এসব হবে ! যত্তসব ছাইপাশ চিন্তা !

এনিয়ে, স্কুলের হেড স্যার পর্যন্ত একবার শাসিয়েছে সুমনকে । পৃথিবীতে ভুত-প্রেত বলে কিছু নেই, বৈদ্য-ওঝা, তন্ত্র-মন্ত্র, ঝাড়-ফুক সব মিথ্যা । এসব কি শেখাচ্ছেন, ছাত্র-ছাত্রীদের ? আপনি নিজে বিশ্বাস করুন বা না করুন, কিন্তু অন্যের বিশ্বাসকে এভাবে হেয় করতে পারেন না ।

সুমন হেড স্যারকে বিভিন্নভাবে যুক্তি দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছে । কিন্তু আবদ্ধ প্রকোষ্ঠে কি আর যুক্তির আলো প্রবেশ করতে পারে ! পারেনা । পারেনা বলেই সুমনও পারেনি, হেড স্যারকে বুঝাতে । সুমনও প্রতিজ্ঞা করেছে, যা হবার হবে । আমার এই কাজে সমালোচনা, প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা আসবেই । তাতে দমে গেলে চলবেনা । যারা শিক্ষার আলো পায়নি, তারা সুযোগই পায়নি, জ্ঞান আহরনের । কিন্তু যারা শিক্ষার সুযোগ পেয়েও যাদের বদ্ধ মননে জ্ঞানের আলো প্রবেশ করতে পারেনি, সমাজের এই দূরাবস্থার জন্য কথিত এই শিক্ষিত শ্রেণীই বেশি দায়ী । তাই, কোমলমতি এসব ছাত্র-ছাত্রীদের মননে জ্ঞান আহরনের স্পৃহাটা এখন থেকে জাগাতে না পারলে, পরবর্তীতে এরাও জ্ঞানহীন শিক্ষিতদের দলটাকে আরো বেশি ভারী করবে ।

স্কুলের স্যার-ম্যাডামেরা সুমনকে আখ্যা দিয়েছে, “পাগল স্যার” । এমনকি, এলাকার শিক্ষিত লোকজনও সুমনকে হেটে যাতে দেখলে হাঁসাহাঁসি করে । দেখ দেখ, পাগল সুমন যাচ্ছে ! তাই বলে, সবাই যে সুমনকে পাগল বলে, তা নয় । দিনমজুর-কৃষক-খেটে খাওয়া লোকজন সুমনকে অনেক শ্রদ্ধার চোখে দেখে । আমরা নিজেরা লেখাপড়া শিখতে পারিনি, অন্তত ছেলেপেলে লেখাপড়াটা শিখে মানুষ হোক । নিজে লেখাপড়া জানিনা বলে, ছেলেপেলের লেখাপড়ায় কোন সাহায্য করতে পারিনা । কিন্তু সুমন স্যার বাড়ি বাড়ি ঘুরে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার যেভাবে খোজ-খবর নেন, তাতে আমাদের লেখাপড়া না জানার সেই সীমাবদ্ধতা ঘুচে গেছে অনেকটা ।

সুমনও জানে, এলাকার লোকজন তাকে, কে কোন দৃষ্টিতে দেখে । অনেকেই যে তাকে পাগল বলে, তাও সে জানে । তারপরও সে কোন প্রতিবাদ করেনা । প্রতিবাদ করলে অযথা কিছু শত্রু সৃষ্টি হবে শুধু । এতে কাজ চালাতে বাধা আসবে আরো বেশি । কোপার্নিকাস যখন বলেছিলেন, সূর্য নয়, পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘুরে, তখনও কোপার্নিকাসকে পাগল বলা হয়েছে । ব্রুনোকে আগুনে পুড়ে মরতে হয়েছে । তাই বলে সত্যকে কি চাপা দিয়ে রাখা গেছে ? না, যায়নি । আজ যারা আমার কথাগুলিকে হেঁসে উড়িয়ে দিচ্ছে, পাগল বলছে, তাদের কাছে না হোক, অন্তত তাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে একদিন সত্য উন্মোচন হবেই !

এভাবে দিন যায়, মাস যায় । দিনমজুর-কৃষকদের কাছে সুমনের কদর বাড়তে থাকে । আর এলাকার শিক্ষিত শ্রেণীর কাছে মনে হয়, দিন-মাসের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সুমনের পাগলামি বাড়ে ! এলাকার শিক্ষিত শ্রেণীর লোকজন বলাবলি করে, পাগল না হলে, কেউ কি আর মাস্টার্স করার পরে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতা করে !

এভাবে চলতে চলতে সুমন একদিন সত্যি সত্যি পাগল হয়ে যায় । অদৃশ্য একজন বন্ধুর আভির্ভাব হয়, সুমনের জীবনে । দিনে-দুপুরে সুমনের সাথে সেই অদৃশ্য বন্ধুর কথা হয় । স্কুল কিংবা বাড়িতে, চায়ের দোকানে সুমনকে দেখা যায়, সেই অদৃশ্য বন্ধুর সাথে গল্প-গুজবে মত্ত । সুমনের আচার ব্যবহার, স্কুলের শিক্ষকতা সব কিছুই ঠিকতাক, শুধুমাত্র সেই অদৃশ্য বন্ধুর উপস্থিতি বাদে । সুমনের সেই অশরীরী বন্ধুটিকে কেউই দেখতে পায়না, একমাত্র সুমন বাদে ।

কেউ বলে সুমন পাগল হয়ে গেছে, আবার কেউ বলে সুমনকে ভুতে ধরেছে । বাড়ির লোকজনও সুমনের এই অশরীরী বন্ধুটিকে নিয়ে বেশ মুশকিলে পরে গেছে । একটা অস্বস্তি নিয়ে সবাই দিন কাটায়, অথচ মুখ ফুটে কেউ কিছু বলার সাহস পায়না । যদি, অদৃশ্য সেই ভুত কিছু করে বসে !

বৌদ্য, ওঝা অনেক দেখানো হয়েছে । বৌদ্য-ওঝাদের কথানুযায়ী, সুমনের সেই অশরীরী বন্ধুটিকে তাড়ানোর জন্য ছাগল, মুরগি, শুকর বেশ কয়েকবার মানত করে উৎসর্গ করা হয়েছে, ভুতের রাজার উদ্দেশ্যে । কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি । কোন কোন ওঝার মতে, এই ভুত পাকুড় গাছের ভুতের রাজা । আবার কারোর মতে, না, এই ভুত পাকুড় গাছের ভুতের রাজা হতে পারেনা । এই ভুত হল, শহরের পুরোনো দালানের ভুত রাজার ছেলে । আমার সাথে, দিব্যি কেমন শিক্ষিত মানুষের মত কথা বলল ! শহরের মধ্যে থাকে বলেই না, এমন ভদ্র মানুষের মত কথা বলল ।

সুমনের এই ভুত বন্ধুটির কথা লোকমূখে প্রচার হতে থাকে । দশ গ্রামের লোক দেখতে আসে সুমনকে । সুমন তার ভুত বন্ধুটির সাথে কিভাবে গল্প করে, কি কি বিষয়ে গল্প করে, তা দেখার জন্য কৌতুহলী মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে সুমনদের গ্রামে ।

শুধুমাত্র বৈদ্য-ওঝায় নয় । অনেক নামডাকওয়ালা বৌদ্ধ ভিক্ষুর কাছেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে সুমনকে । অনেক মার্গফলপ্রাপ্ত বৌদ্ধ ভিক্ষুও দেখে গেছেন সুমনকে । যেই ভিক্ষুদের হাতের ছোয়ানো পানিতে মিলেছে শত জনের রোগ মুক্তি, তারাও ব্যার্থ হয়েছেন, সুমনের এই অদৃশ্য বন্ধুটিকে তাড়াতে । শেষে ভিক্ষুরা এই মত দিয়েছেন, সুমনের অশরীরী বন্ধুটি একজন সৎ দেবতা । পৃথিবীতে ভুত বলে কিছু নেই, আছে সৎ আর অসৎ দেবতা । যদি ২০ জন ভিক্ষু ডেকে, পৃথিবীর সৎ দেবতাদের উদ্দেশ্যে ধর্মিয় কার্য সম্পাদন করে দেওয়া হয়, তবেই চলে যাবে সুমনের এই সৎ দেবতা বন্ধুটি ।

বাড়ির লোকজন, সৎ দেবতাদের উদ্দেশ্যে ধর্মিয় কার্য সম্পাদনের প্রস্তুতি যখন শেষ পর্যায়ে ঠিক তার আগ মূহুর্তে, সুমন তার মাকে জানাল, আমার বন্ধু আমাকে বলেছে, সে আগামী শুক্তবারে চলে যাবে । কিন্তু তার আগে সবার কাছে বিদায় নিতে চায় । এলাকার আশেপাশে যত বৌদ্য-ওঝা, মার্গফললাভী বৌদ্ধ ভিক্ষু, যাদের হাতের স্পর্শের পানিতে রোগ মুক্তি ঘটে, তাদের সবার কাছে বন্ধুটি শেষ বিদায় নিতে চায় । আগামী শুক্রবার সকাল নয়টায়, প্রাইমারি স্কুল মাঠে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছে, বন্ধুটি ।

এই খবরটিও দশ গ্রামে প্রচার হতে বেশি সময় লাগেনি । শুক্রবার সকাল নয়টার আগেই দেখা গেল, কৌতুহলী মানুষে লোকে-লোকারণ্য হয়ে আছে স্কুল মাঠটি । স্কুল মাঠের এক কোনায়, বৌদ্ধ ভিক্ষু আর বৌদ্য-ওঝাদের জন্য জন্য সংরক্ষিত মঞ্চের আশেপাশেও কৌতুহলী মানুষে ভরপুর । সবার মাঝে কৌতুহল, কখন কি হয় ! কখন কি হয় !

নয়টার আগে মঞ্চে একে একে এসে উপস্থিত হয়েছেন মার্গফলপ্রাপ্ত করুনালংকার মহাস্থবির, শ্রাবক বুদ্ধ জ্ঞানমৌত্রী স্থবিরসহ আরো অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু । গঙ্গা মার সাথে সাক্ষাৎ কথা বলতে পারা সুনন্দ বৌদ্য, সাপের দংশনে মৃত্যু হলেও, মৃত্যুর তিন দিন পরেও জীবন দিতে পারা আঙারা বৌদ্য, আমলকি দিয়ে সর্বরোগের চিকিৎসা করা সাধক আমলকি বাবা সহ ছোট-বড় নামডাকওয়ালা অনেক বৌদ্য, ওঝাও এসে হাজির । এমনকি, সুমনও মঞ্চে এসে হাজির ।

সবার মধ্যে কৌতুহল, চাপা উত্তেজনা, কখন কি হয় দেখার জন্য । জনতার নীরবতা ভঙ্গ করে, সুমন বলা শুরু করল । এখানে উপস্থিত ভাই-বোনদের কাছে প্রথমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি কষ্ট করে স্কুল মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য । কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, মঞ্চে উপবিষ্ট শ্রদ্ধেয় ভিক্ষু এবং বৌদ্য, ওঝাদের উদ্দেশ্যে । আপনারা সবাই নিজেদের গুরুত্বপূর্ন সময় এবং কাজ ফেলে এখানে এসে উপস্থিত হয়েছেন, আমার বন্ধু আজ আপনাদের কাছে বিদায় নিয়ে চলে যেতে চেয়েছে বলে ।

আজ আপনাদের সামনে, গত দুই মাসে সবার সামনে লুকিয়ে রাখা একটি সত্য সবার কাছে উন্মোচন করতে চাই । সত্যি কথাটা হল, আমার কোন অদৃশ্য বন্ধু কোন কালেই ছিল না, যা ছিল সবই আমার সাজানো নাটক ।

সুমনের এই কথা শেষ হতে না হতেই, জনতার মাঝে চাপা গুঞ্জন শুরু হয়ে গেল । প্লিজ, আপনারা একটু মন দিয়ে আমার কথা শুনুন । জানি, আপনারা এখন খুবই বিরক্ত-রাগান্নিত আমার উপরে । কেন আমি এই নাটকটি করেছি, সেই কথাটিই আমি আপনাদের সামনে এখন বলব, যদি আপনারা শুনতে চান । এই কথাতে সবাই চুপ হয়ে গেল । সবার আকর্ষন এখন মঞ্চের উপর দাঁড়ানো সুমনের প্রতি ।

সুমন আবার বলতে শুরু করল, গত দুই মাসে এই নাটকটি মঞ্চায়ন করতে আমাকে অনেক মানষিক যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে । কেউ না থাকলেও, অদৃশ্য কোন মানুষকে কল্পনা করে কথা বলাটা কতটা যে মানষিক যন্ত্রনার ব্যাপার হতে পারে, তা উপলব্দি করেছি । কিন্তু আজ কিছুক্ষন পরে আমার সেই কষ্ট-মানষিক যন্ত্রনার উপশম হবে, যদি আপনারা আমার কথাগুলি শুনে কিছুটা ভাবনার উপকরন খুজে পান । গত দুই মাসে আপনারা সবাই দেখেছেন, আমার কল্পিত সেই অদৃশ্য বন্ধুটিকে তাড়ানোর জন্য মঞ্চে উপবিষ্ট ভিক্ষু, বৌদ্য, ওঝাদের সে কি প্রাণপণ চেষ্টা ! যে নেই, তাকে তাড়াবেন কিভাবে ?

কেউ বলেছেন ভুত, কেউ বলেছেন দেবতা । কেউ কেউ তো আবার যে নেই তার সাথে কথাও বলেছেন, কেউ কেউ দেখতেও পেয়েছেন ! আমি আশ্চর্য হয়েছি, তাদের এসব ধান্ধাবাজি কথাবার্তায় । আমার নিজের কল্পনা থেকে সেই অদৃশ্য বন্ধুটির জন্ম, অথচ উনারা নাকি কথা বলেছেন-দেখেছেন ! এর চেয়ে আশ্চর্য হওয়ার মত বিষয়, আর কি হতে পারে ?

আপনারা এসব বিষয়ে বিশ্বাস করেন বলেই, আপনারা এসব দেখেন । আর আপনাদের এসব বিশ্বাসকে পুজি করে কিছু ধান্ধাবাজ আপনাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে । এখানে উপস্থিত অনেকেই আছেন, যারা লেখাপড়া করেছেন, পড়তে জানেন । আপনাদের কারনেই, এখনো সমাজের মধ্যে অবিদ্যা-কুসংষ্কার-অসচেতনতা বিদ্যমান । আপনারা তো পড়তে জানেন, তবে আপনাদের সেই হাতিয়ারকে কেন কাজে লাগাচ্ছেন না ? পৃথিবীর উন্মূক্ত এই জ্ঞান ভান্ডারে জ্ঞান আহরনের অফুরন্ত সুযোগ আজ আমাদের সামনে । শুধুমাত্র জানার-শেখার, জ্ঞানার্জনের আগ্রহ থাকলেই হল । কিন্তু আপনারা তা না করে, আপনাদের এই হাতিয়ারে মরচে পরার সুযোগ করে দিচ্ছেন ।

এখানে অনেকেই উপস্থিত আছেন, যারা লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন । আপনারা লেখাপড়া শিখতে পারেননি, কিন্তু আপনাদের ছেলে-মেয়েদেরকে স্কুলে পাঠান, লেখাপড়া শিখিয়ে শিক্ষিত করুন । আপনাদের ছেলে-মেয়ে শিক্ষিত না হলে, আপনারা সারাজীবনই শোষিত হতে থাকবেন । আপনাদের ছেলে-মেয়ে শিক্ষিত হলে, বাজারে পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন । তখন কেউ আর আপনাদের বিশ্বাসকে পুজি করে ধান্ধাবাজি করে চলতে পারবেনা ।

এখন আপনারাই চিন্তা করুন, অন্ধ বিশ্বাসকে পুজি করে করে বেঁচে থাকবেন, নাকি জ্ঞানের আলোয় হাটবেন ?

প্রশ্নটি, প্রত্যেকের জন্য তোলা রইল । নিজের মনকে প্রশ্ন করুন, বই পড়ুন, জ্ঞানার্জনের চেষ্টা করুন । আশা করি নিজে নিজেই পেয়ে যাবেন উত্তরটি ।”

About the author

জুম্মো এডিসন

আমি বস্তুবাদী নাস্তিক ।

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2998

1 comment

3 pings

  1. Masud Rana

    Studyhere to learn.

  2. Masud Rana

    Need web hosting solution………..
    "http://www.hostthebiz.com"

  3. ÉxçëptiÓnäl NîShäñ

    carry on bro…

  4. Bitu Bips

    superb dost,,lekhata pore onek balo laglo…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>