«

»

এই লেখাটি 907 বার পড়া হয়েছে

Print this প্রকাশনা

১৯৮৮ সালের গণহত্যাঃ বাঘাইছড়ি এলাকা (হীরাচর, সার্বোতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী)

এক একটি গণহত্যা; এক একবার জান্তব উল্লাস, চিৎকার আর তার বিপরীতে নিরীহ কিছু মানুষের আর্তনাদ, বুক ফাটা কষ্টের শিহরণ। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পাহাড়ে এমনিভাবে ১৩ বার দানবীয় উল্লাসে মেতেছে রাষ্ট্রীয় বাহিনী এবং তাদের সহযোগী সেটেলাররা। এখনো তাদের হুংকার থেমে নেই। পাহাড়ের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পদে পদে বাধার দেয়াল তৈরি করে দেয়ার মাধ্যমে সেটেলাররা বারবার প্রমাণ করে দিয়েছে তারা পাহাড়িদের বিপরীতে রাষ্ট্রের হাতিয়ার। ১৯৭৯ সালে যখন সেটেলারদের পাহাড়ে পুনর্বাসন দেয়া হয়েছিল তখন প্রথমে তাদের ব্যবহার করা হয়েছিল রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোর ঢাল হিসেবে। সে সূত্র ধরে আর্মি, বিডিআর, আনসার-ভিডিপি ক্যাম্পগুলোর চারপাশে তাদের বসিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারাই রাষ্ট্রের সূতীক্ষ্ণ তলোয়ারে পরিণত হয় এবং গণহত্যাগুলোতে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেয়।


সেসময় যোগাযোগব্যবস্থা এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কারণে এসব গণহত্যার সম্পূর্ণ বিবরণ জানা সম্ভব হয়নি এখনো পর্যন্ত। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই ভারতে শরনার্থী হয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল বা আর্মিদের ভয়ে চুপ হয়ে বাধ্য হয়। ফলে ১৯৮৬ সালের মাটিরাঙ্গা গণহত্যা, কুমিল্লাটিলা-তাইনডং গণহত্যা; ১৯৮৪ সালের বরকল গণহত্যা, ১৯৮১ সালের বানরাইবাড়ি, বেলতলী ও বেলছড়ি গণহত্যাসহ আরো কিছু গণহত্যার বিবরণ সম্পূর্ণভাবে পাওয়া যায় নি। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো তথ্য-উপাত্ত ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং গণহত্যা সম্পর্কিত শ্বেতপত্র কোনদিনই প্রকাশ করা হয়নি। বরং বারবার ধামাচাপা দেয়ার মাধ্যমে এসব গণহত্যাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে রাষ্ট্র।

 

 

১৩টি গণহত্যার তালিকায় ১৯৮৮ সালের বাঘাইছড়ি (হীরাচর, সার্বোতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী) গণহত্যা উল্লেখযোগ্য। কালাচং নদীর তীরের এইসব এলাকা সাধারণ পাহাড়িদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল। ৮,৯  আগস্টের এই হত্যাযজ্ঞে নিহত হয়েছিল প্রায় ১০০ জন। অনেকের লাশ এখনো পাওয়া যায়নি। আর নারীদের গণধর্ষণ করে অনেককে মেরেও ফেলা হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাতঃ

ঘটনার সূত্রপাত হিসেবে আর্মিরা দাবি করেছিল কালাচং নদীর অববাহিকার এই অঞ্চলটি শান্তিবাহিনীর ঘাঁটি। বাঘাইছড়ি রিজিয়ন এই অঞ্চলে বারবার শান্তিবাহিনীর শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছিল। তাই তারা এজন্য নিরীহ পাহাড়িদের দায়ী করে এবং গণহত্যা সংঘটিত করে।

প্রক্রিয়া শুরুঃ

গণহত্যা বা ঘটনার যে রেশ তার শুরু হয়েছিল প্রায় এক মাস আগে থেকেই। বাঘাইছড়ি ক্যাম্পের কমান্ডার ও ৫ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিও লে. কর্ণেল মতিউর রেহমান ১০ জুলাই’৮৮ তারিখে স্থানীয় চেয়ারম্যান, পরিষদের মেম্বার, হেডম্যান ও কার্বারিদের একটি মিটিং এর আয়োজন করেন। মিটিং তিনি সরাসরি পাহাড়িদের শান্তিবাহিনীর চর হিসেবে অভিহিত করেন এবং সেখানে স্পষ্ট ঘোষণা দেন “যদি একজন আর্মিও শান্তিবাহিনীর গুলিতে মারা যায় তাহলে দশজন পাহাড়িকে প্রকাশ্যে গুলি করে মারা হবে। যদি একজন মুসলিম শান্তিবাহিনীর হাতে নিহত হয় তাহলে দশজন পাহাড়িকেও হত্যা করা হবে। তোমরা পাহাড়িদের মারতে আমাদের গুলি নষ্ট করার কোন মানে নেই। আমরা শুধুমাত্র আমাদের মুসলিম ভাইয়ের কুঠার, ছুরি, দা দিয়ে তোমাদের কেটে ফেলতে সুযোগ দেব এবং যাই ঘটুক আমরা হাত পা গুটিয়ে বসে তোমাদের দশা দেখব”।

এরপর পুনরায় বাঘাইছড়িতে ২৮ জুলাই ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মে. জেনারেল আবদুস সালাম আরো একটি মিটিং এর আয়োজন করেন এবং সেখানে চেয়ারম্যান, হেডম্যান, কার্বারিদের পাশাপাশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ করেন। যেহেতু জিওসি তৎকালীন রাষ্ট্রের পার্বত্য চট্টগ্রাম জাতীয় কমিটির একজন সদস্য ছিলেন তাই তাঁর প্রতি সাধারণ পাহাড়িদের প্রত্যাশা ছিল উঁচু। কিন্তু তিনি সেখানে চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং ঘোষণা দেন “তোমরা যদি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন চাকরির সুযোগ গ্রহণ না করো তাহলে তোমরা আর কখনো তা পাবে না এমনকি তোমরা যদি ২০০ বছর সংগ্রাম কর তবুও তাদের তা দেয়া হবে না। তোমাদের সম্পূর্ণভাবে শেষ করে দেয়া হবে”। এছাড়া মিটিং এ তিনি আরো বলেন “আমরা জানি বাঘাইছড়ি অঞ্চলটি শান্তিবাহিনীর ঘাঁটি। তারা তোমাদের কাছ থেকে চাঁদা আর বিভিন্ন রসদ সংগ্রহ করে। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শান্তিবাহিনীর নেতাদের সাথে যোগাযোগ রাখেন। যদি শান্তিবাহিনীর গুলি আমাদের লোক হত্যা করতে পারে, তাহলে আমাদের গুলিও তোমাদের আঘাত করতে পারে, হত্যা করতে পারে”। এই ধরণের বক্তব্য পাহাড়িদের কাছে বিতর্কের সৃষ্টি করে।

গণহত্যার শুরুঃ

যদিও ২৮ তারিখ জিওসির মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেখানে সরাসরি হুমকি প্রদান করা হয়েছিল কিন্তু ২০ আগস্ট থেকেই আর্মিরা কাচালং নদীর ওপারে অবস্থিত পাহাড়ি গ্রামগুলোতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে এই অভিযোগে গুলিবর্ষণ করতে শুরু করে। কিন্তু এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় যখন পাহাড়িরা এরপরও গ্রামে অবস্থান করে।

৪ আগস্টঃ

বাঘাইছড়ি ক্যাম্পের লেঃ মোঃ জাহাঙ্গীর ও ৫ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকেরা নাগ বিহারী পাড়া এবং জারুলছড়ি গ্রাম আক্রমণ করে। এসময় এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করা হয় এবং লেঃ জাহাঙ্গীর ও তার সৈন্যদের হাতে ৪জন পাহাড়ি নারী ধর্ষনের ঘটনা ঘটে। গ্রামগুলোতে একের পর এক পাহাড়িকে গ্রেফতার করা হয় এবং লাইনে দাঁড় করিয়ে পেটানো হয়। এসময় স্থানীয় বাড়িগুলো সব পুড়িয়ে দেয়া হয়। এভাবে সেখানে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, কারাঙ্গাতলী সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন আকরামের নেতৃত্বে একটি দল দুলুছড়ি গ্রামে অপারেশন চালায়। এসময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং গ্রামের কার্বারি অতুল বিকাশ কার্বারিকে গ্রেফতার করে তারা। গ্রেফতারের সময় তাঁকে রাইফেল দিয়ে পেটানো হয় এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করা হয়। এভাবে কিছুক্ষণ নির্যাতনের পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং এরপর তাঁর খোঁজ আর পাওয়া যায় নি।

 

৮-৯ আগস্টঃ

এই দিনে সেনাবাহিনী এবং বাঙালি সেটেলাররা একত্রিতভাবে বাঘাইছড়ি এলাকার জীবঙ্গাছড়া, হীরাচর, মোষ পোড়া, দুরছড়ি-সার্বোতলী, বাঙালতলী ও সিজকমুখ গ্রামে হামলা করে। এসময় হামলায় নিহত হয় পুলিন বিহারী চাকমা, অজিত চাকমা, প্রদান চন্দ্র চাকমা, জগদীশ চাকমা সহ আরো নাম না জানা অনেকে। ৬বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৭৫ বছরের বৃদ্ধও রেহাই পায়নি এতে। এসব গ্রামের প্রতিটি বাড়ি লুট করে পুড়িয়ে দেয়া হয়। দুইদিনের এই তান্ডবে প্রায় ১০০ জন নিরপরাধ পাহাড়ি নিহতের ঘটনা ঘটে এবং আরো প্রায় অর্ধশতাধিককে গুম করে ফেলা হয়। এদের মধ্যে সার্বতলী জুনিয়র হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক বিবেকানন্দ চাকমা এবং কলেজছাত্র চোক্যো চাকমা অন্যতম। বাঙালতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রীতি বিকাশ চাকমাসহ অন্যদের পিটিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়।

এরপর বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান লক্ষী বিকাশ চাকমাকে তাঁর কার্যালয়ে হামলা করা হয়। এসময় তাঁর সাথে সেখানে অবস্থান করছিলেন কাচালং কলেজের প্রভাষক স্মৃতিনেন্দু চাকমা ও শান্তশীল চাকমা। বাঙালি সেটেলাররা এই হামলা চালায় এবং এতে চেয়ারম্যানের কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। হামলায় চেয়ারম্যান, প্রভাষক সহ ৯ জন আহত হন। এদের মধ্যে মারাত্মক আহত হওয়া কালেন্দর চাকমা আধঘন্টা পর মারা যান। সেনাবাহিনী আর বিডিআর কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত থাকা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান এবং পরিষদ সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়ে কোন রূপ সহযোগিতা করেনি এবং পরিস্থিতি সম্পর্কেও তাদের অবহিত করা হয়নি।

নারী-কিশোরীদের ক্রমাগত গণধর্ষণ করা হয়। সুমিতা চাকমা (১৮), গীতা চাকমা (১৬), তিলোত্তমা চাকমা (৪৫), পদ্মা রানী চাকমা (২৫)সহ আরো অনেককে ধর্ষণের পর মেরে ফেলা হয় বেয়নেটের আঘাতে। এর মধ্যে ৭ম ও ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া তিন ছাত্রীকে ৮ তারিখ দুরছড়ি মার্কেট থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দুরছড়ি ক্যাম্পে আটকে রেখে সারা রাত ধর্ষণ করা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয় এবং মারাত্মক আহত অবস্থায় গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে।

১০ আগস্টঃ

যখন এই হামলা অব্যাহত ছিল তখন রাঙ্গামাটি সদরে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার চেয়ারম্যান, হেডম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। সেখানে প্রধান অতিথির দায়িত্ব পালন করছিলেন জিওসি মেঃ জেঃ আবদুস সালাম। মিটিং এ কাচালং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পারিজাত কুসুম চাকমা জিওসিকে প্রশ্ন করেন, “কেন ৮-৯ আগস্টের গণহত্যায় আর্মিরা সরাসরি জড়িত ছিল? সংঘাত যদি থাকে তবে সেটা আর্মি এবং শান্তিবাহিনীর বিষয়। সেখানে কেন নিরীহ পাহাড়ি জনগণকে হত্যা করা হল এবং নারীদের ধর্ষণ করা হল?” জিওসি এই প্রশ্নের উত্তরে ধমক দিয়ে তাঁকে থামিয়ে দেন এবং এই প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

১৪ আগস্টঃ

গণহত্যার পর ১৪ তারিখে জিওসি ঘটনাস্থলে যান এবং আবার হেডম্যান ও মেম্বারদের সমন্বয়ে একটি মিটিং আহ্বান করেন। মিটিং এ তিনি সরাসরি পাহাড়িদের দায়ী করে বলেন, “তোমাদের বাড়ি থেকে শান্তিবাহিনী আমার লোকজনের উপর গুলি করেছে। যদি তোমরা শান্তিবাহিনীকে সহায়তা না করতে, তাহলে আমার লোক তোমাদের হত্যা করতো না। যদি এখন কোন কিছু আবার ঘটে তাহলে এর জন্য তোমাদের দায়ী করা হবে”। জিওসি’র এই দম্ভোক্তি সেনাবাহিনীর নিষ্ঠুরতা এবং গণহত্যায় তাদের সংশ্লিষ্টতার জায়েজকে প্রমাণ করে।

জিওসির ঘটনাস্থল ত্যাগের পর বাঘাইছড়ি সেনা কর্তৃপক্ষ পাহাড়ি জনগণের জন্য অবশ্য পালনীয় কিছু নিয়ম বেঁধে দেয়।

১. কোন পাহাড়ি দুরছড়ি এবং মারিশ্যা মার্কেটে আসতে পারবে না।

২. পাহাড়িদের কাছে কোন ওষুধপত্র এমনকি ম্যালেরিয়ার ওষুধ কুইনাইন বিক্রি করা যাবে না। কোন দোকানদার যদি এই আদেশ ভঙ্গ করে তাহলে তাকে গুলি করে মেরে ফেলা হবে।

৩. পাহাড়িদের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করা যাবে না।

 

পরিশেষেঃ

৮, ৯ আগস্টের এই গণহত্যা বিষয়ে সরকার কোন বক্তব্য প্রদান করেনি। এই গণহত্যার ঘটনাই প্রমাণ করে সরকার পরিকল্পিতভাবে পাহাড়িদের ভূমি দখল করে নেয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি জাতিসত্তাগুলোর অস্তিত্বকে ধ্বংস করার চক্রান্ত করেছিল। এখনো এই গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। তদন্ত হয়নি জিওসি আবদুস সালাম, লেঃ কর্ণেল মতিউর, ক্যাপ্টেন আকরাম, লেঃ জাহাঙ্গীর এবং হামলায় জড়িত সেনাসদস্য ও সেটেলারদের বিরুদ্ধে।

এই কথাটি জানা সত্য যে, সরকার কখনো পাহাড়ি তথা বাংলাদেশের আদিবাসীদের রক্ষার্থে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বরং বারবার জাতিগত দাঙ্গার পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে গোটা দেশে বিশেষ করে পাহাড়ে। সেনাবাহিনীর ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে সমঅধিকার আন্দোলন, বাঙালি ছাত্র পরিষদ সহ বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী। পাহাড়ের বিভিন্ন পাহাড়িদের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ডে সেনাবাহিনীর মদদে তাদের উস্কানি অব্যাহত রেখেছে। তাই সময় আসছে এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের। একদিন এদের পুরোনো সকল গণহত্যা, হামলা, ধর্ষণ, নিপীড়নের মাশুল দিতে হবে এদের। হয়তো এখনই সেসময় উপস্থিত হয়নি, চারদিকে ঘন আঁধারে ঢাকা। কিন্তু রাত যতই গভীর হয়, ভোর ততই নিকটে আসে।

About the author

অজল দেওয়ান

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2964

1 comment

5 pings

  1. nalson

    একজন বাঙালি হিসেবে ক্ষোভে ও লজ্জায় নত হলাম।

  2. Malabika Sheela

    কি লজ্জা ! কি বর্বরতা ! মানুষ হয়ে মানুষের ওপর এই অত্যাচার অসহনীয় ।

  3. Malabika Sheela

    কি লজ্জা ! কি বর্বরতা ! মানুষ হয়ে মানুষের ওপর এই অত্যাচার অসহনীয় ।

  4. Mui Changma

    asun amra jumma jatira ettyadi borjon kori,senabahinir agrasoner birudde gorje uti,amra samprodayik deshe bosobash kortesi,adeshe budda dormer upor hamla hore o sorkar bichar korenna.

  5. আদিবাসী নয়ন

    তাই সময় আসছে এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের। একদিন এদের পুরোনো সকল গণহত্যা, হামলা, ধর্ষণ, নিপীড়নের মাশুল দিতে হবে এদের।

  6. Ashis Barua

    Mone pore jai shei shob diner kotha..bil khilji jeivabe hotta koresilo niriho bouddh der k.1200 kristabde

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>