«

»

এই লেখাটি 2,339 বার পড়া হয়েছে

Print this প্রকাশনা

কলমপতি (কাউখালি) হত্যাকান্ডঃ রাষ্ট্রীয় মদদে পাহাড়ের প্রথম গণহত্যা

খাগড়াছড়ি সদরের শাপলা চত্বর থেকে গোলাবাড়ি যাওয়ার পথের নাম শহীদ কাদের সড়ক। ১৯৭১ সালে ক্যাপ্টেন কাদের মহালছড়িতে মারা যান ভারতের বিদ্রোহী মিজোদের সাথে সম্মুখ সমরে এবং পরবর্তীতে তাঁর নামানুসারে এই রোডের নামকরণ করা হয়।

এই ছোট্ট ইতিহাস থেকে আরো অনেক বড় ইতিহাস উঠে আসে যে ইতিহাস পাহাড়ের ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে এবং সেই সাথে পাহাড়িদের উপর অত্যাচারের একটি ধারাও সবার কাছে প্রকাশিত হয়ে পড়ে। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর পাকিস্তান সরকার ভারতের বিদ্রোহী মিজোদের মদদ দেয় ছায়াযুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধের অংশ হিসেবে। স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে মিজোরা পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থান করতো এবং সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহ চালিয়ে যাবার জন্য পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ট্রেনিং ও অস্ত্র সরবরাহ করা হতো নিয়মিত। তাই মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মিত্র ভারতকে খুশি করতে মুক্তিবাহিনী বা মুজিববাহিনীকে প্রায়ই লড়াই করতে হতো মিজোদের সাথে। এমন একটি যুদ্ধে ক্যাপ্টেন কাদের মারা যান।

যেহেতু মিজোরা পাবর্ত্য অঞ্চলে বাস করতো তাই মিজোদের সাথে সাথে পার্বত্য অঞ্চলের সমগ্র বাসিন্দাদের প্রতি বিরূপভাব প্রদর্শনের সুযোগ পেয়ে যায় স্বাধীন দেশের সরকার। চাকমা রাজার পাকিস্তান অবলম্বনও এখানে ভূমিকা রাখে। তাই, স্বাধীনতার পরপরই পাহাড়ের সাধারণ মানুষদের উপর মুক্তিবাহিনী ও মুজিববাহিনী অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ চালায়। মুক্তিযুদ্ধ সময়ে যত পাহাড়ি নিহত হয়েছিল পাকবাহিনীর হাতে, স্বাধীনতার পর নিহত হয়েছিল আরো বেশি। পুরো মুজিব শাসনামলে শেখ মণির হাতে গড়া রক্ষীবাহিনী ও পুলিশ পাহাড়িদের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন, লুটতরাজ চালায়। এর প্রতিবাদে পাহাড়িদের মাঝে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক এবং পরবর্তীতে শান্তিবাহিনী গঠনের মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপ নেয়। শান্তিবাহিনী নামটিই নির্দেশ করে, তাদের উদ্দেশ্য অত্যাচার প্রতিরোধ করা এবং এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু ধীরে ধীরে এই বাহিনীটি পাহাড়িদের অধিকার আদায়ের সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করে। ৭৫-পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এই বাহিনীর অভিযান শুরু হয় ইটছড়ি আর্মি ক্যাম্প আক্রমণের মধ্য দিয়ে। ফলে রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে সংঘাতের সূত্রপাত হয় এবং এর ফলে ধীরে ধীরে সাধারণ পাহাড়িদের উপরও ক্ষোভ প্রকাশের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয় আর্মির।

এই সুযোগের মধ্য দিয়ে আর্মি এবং তাদের মদদে সেটেলাররা পাহাড়ে ১৩ টি গণহত্যা সংঘটিত করে। সর্বপ্রথম গণহত্যার ঘটনা ঘটে রাঙ্গামাটির কাউখালিতে। কলমপতি ইউনিয়নের সাধারণ পাহাড়িদের উপর এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়, যা ইতিহাসে “কলমপতি হত্যাকান্ড” নামে পরিচিত। ১৯৮০ সালের ২৫ মার্চ দিনে-দুপুরে মিটিং আহবান করে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত করে আর্মিরা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পাকিস্তানি সেনাদের ন্যায় স্বাধীন বাংলাদেশের আর্মিরাও ঝাঁপিয়ে পড়ে সাধারণ পাহাড়িদের উপর।

ঘটনার সূত্রপাত হিসেবে যা বলা হয়ঃ

ঘটনার ৩ দিন আগে ২২ মার্চ, ১৯৮০ সালে শান্তিবাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা এক অফিসার সহ ২২ জন আর্মিকে হামলা করে হত্যা করে। অপরদিকে গেরিলারা অক্ষত থেকে যায় এবং তারা নিরাপদে পালিয়ে যায়। এই হামলার প্রতিশোধস্বরূপ আর্মিরা কলমপতির বিভিন্ন গ্রামে পাহাড়িদের হত্যা করার প্ল্যান করে।

ঘটনার দিনঃ

কলমপতি আর্মি জোনের প্রধান এক ধর্মীয় সভার নামে কলমপতি ইউনিয়নের পাহাড়ি নেতাদের জড়ো করান। এছাড়াও সকাল বেলায় ঘোষণা দেয়া হয় পোয়াপাড়া বৌদ্ধ মন্দিরের সংস্কার কাজে আর্মিরা সহায়তা করবে এবং সাধারণ পাহাড়িদের এই সংস্কার কাজের জন্য ডাকা হয়। সাধারণ পাহাড়িরা এতে সাড়া দিয়ে মিটিংএ উপস্থিত হয় এবং এরপর তাদের এক লাইনে দাঁড়াতে বলা হয়। লাইনে দাঁড়ামাত্র আর্মি সদস্যরা তাদের উপর গুলিবর্ষণ করে। এতে সঙ্গে সঙ্গে মারা যায় বাজার চৌধুরী, কুমুদ বিকাশ তালুকদার, স্থানীয় স্কুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরহিদর চাকমা সহ প্রায় শত ব্যক্তি। গুরুতর আহত হন ইন্দু কুমার চাকমা, পিটিয়া চাকমাসহ প্রায় ১২ জন। এদের রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া গুরুদাস চাকমা পরে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিলেন। তিনি পোয়াপাড়া হাইস্কুলের পশ্চিম কোণায় একমাত্র সেনাছাউনির পিছনে ৫০ জনেরও বেশি লাশকে গণকবরস্থ করতে দেখেছিলেন। মাত্র ৪টি লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি নিয়া আসা হয়।

হত্যাকান্ড পর্ব শেষে আর্মি তাদের ছাউনিতে ৩০ জনের বেশি পাহাড়ি নারীকে জোর করে ধরে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় শিশু ও বৃদ্ধাদের ছেড়ে দেয়া হলেও তরুণীদের আটকে রাখে তাদের নিজেদের সন্তুষ্টির জন্য। তাদের অনেকের হদিস আর পরে পাওয়া যায় নি। শিশুরা ও বৃদ্ধারা যখন সেনাছাউনি থেকে বাড়ি ফিরছিলো তখন সেটেলারদের দ্বারা তারা প্রহৃত হয়।

সেটেলারদের কর্মকান্ডঃ

আর্মিদের মদদেই সেটেলাররা পাহাড়িদের উপর চড়াও হয়। তারা কাউখালি, মুখপাড়া, পোয়াপাড়া, কাউখালি বাজার, তোংপাড়া এবং হেডম্যান পাড়া তছনছ করে ফেলে। সমস্ত বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয় এবং লুট করা হয়। সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই হত্যা করেছে। প্রাক্তন সংসদ সদস্য চাইথোয়াই রোয়াজার বাড়িও লুট করা হয়। এছাড়াও, মুখপাড়া কিয়াং, তোংপাড়া আনন্দ মোহন বৌদ্ধ মন্দির, পোয়াপাড়া মন্দিরেরও ধ্বংস সাধন করে। কিয়াংগুলোর স্বর্ণ, রৌপ্য, পিতলের বৌদ্ধমূর্তি, আসবাবপত্রসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়। হাতিরপাড়া ও কাউখালির দুইটি বৌদ্ধ মন্দির পুড়িয়েও দেয় সেটেলাররা। সেটেলারদের হামলার মুখে পাহাড়িরা দৌড়ে পালিয়ে গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নেয় এবং পরে ভারতের ত্রিপুরায় পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পুরো হত্যাকান্ডে প্রায় ৩০০ জনের মতো নিহত হয়।

ঘটনার পরঃ

১৯৮০ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন জাসদের সংসদ সদস্য উপেন্দ্র লাল চাকমা জাসদের ঢাকাস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কলমপতি হত্যাকান্ডের কথা প্রথমে প্রকাশ করেন। এর পর পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনার জন্য ৫ সদস্যের একটি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়, সেখানে এমপি উপেন্দ্র লাল চাকমাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয় নি।

সংসদীয় কমিটির বিপরীতে স্বাধীনভাবে হত্যাকান্ডটি তদন্তের জন্য জাসদের এমপি শাহজাহান সিরাজ, উপেন্দ্র লাল চাকমা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক রাশেদ খান মেননসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট এক সত্য অনুসন্ধানকারী টিম গঠন করা হয়। ঘটনার প্রায় ১ মাস পর ২২ এপ্রিল টিমটি ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাদের আগমনের সংবাদ পেয়ে প্রায় ৫০০ জন ক্ষতিগ্রস্থ পাহাড়ি কয়েক মাইল হেঁটে চেলাছড়ায় টিমের সাথে সাক্ষাত করে এবং তাদের দুর্ভোগের কথা জানায়। প্লেকার্ড ও পোস্টারের মাধ্যমে তারা সমতল থেকে অবৈধ আগমনকারীদের হামলায় হত্যাকান্ডে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, মহিলাদের প্রতি অপমান বন্ধের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রক্ষা, ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী মৃতদের দাহ, পাহাড়িদের জন্য আত্ননিয়ন্ত্রণাধিকার এবং সেটেলারদের ফিরিয়ে নেয়ার দাবি জানায়।

সত্য অনুসন্ধানকারী টিমের রিপোর্টে যা বলা হয়েছেঃ

টিমটি তাদের রিপোর্টে জানায় যে, সরকার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে পাহাড়িদের তাদের ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে তাদের আত্ননিয়ন্ত্রণাধীকারের সঠিক আন্দোলনকে বিনষ্ট করার জন্য পার্বত্য এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। এছাড়া বলা হয়, সরকারি পরিকল্পনার মধ্যে উগ্রপন্থায় পাহাড়িদের ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য বিকৃত ও ধ্বংস করা প্রভৃতি রয়েছে।

টিমের তিন বিরোধী জাতীয় সংসদ সদস্যের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান সমস্যা হচ্ছে রাজনৈতিক এবং তা রাজনৈতিকভাবেই তা সমাধান করা উচিত। এটি নিপীড়িত জাতিদের অধিকার সংরক্ষণের ও তা নিশ্চিত করার সমস্যা। টিমটি সরকারের কাছে জাতিসমূহের স্বীকৃতি ও তাদের স্বায়ত্তশাসন প্রদানের আহ্বান জানায়।

সুপারিশসমূহঃ

১। কলমপতি ইউনিয়নে ২৫ মার্চ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ঘাতকদের শাস্তি;

২। ক্ষতিগ্রস্থদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসহ পুনর্বাসন;

৩। ক্ষতিগ্রস্থ বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্নিমাণ, মন্দির ধ্বংস সাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ধর্মীয় অনূভুতিতে আঘাতদানের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা;

৪। সেটেলারদের আগমন বন্ধ করা;

৫। যেসব সেটেলার ইতোমধ্যে এখানে বসতি গড়েছে তাদের অবিলম্বে ফিরিয়ে নেয়া

৬। বাজারগুলোতে মালামাল আনা-নেয়ার ব্যাপারে বাঁধা প্রত্যাহার।

 

বলা বাহুল্য, এই সুপারিশ সরকারের কাছে কোনো আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। তৎকালীন জিয়া সরকার এই ঘটনার বিচার করেনি বরং হত্যাকারীদের মদদ দিয়েছে এবং রাষ্ট্রের এই সহায়তা পরবর্তী গণহত্যাগুলোর পথকে প্রশস্ত করেছে। আজও পাহাড়িরা তাদের হারানো ভিটে ফিরে পাননি, সেখানে এখন বাস করছে সেটেলাররা। এভাবেই পাহাড়ি উচ্ছেদ চলেছে প্রায় ৩০ বছর ধরে।

কিন্তু এখন সময়ের সাথে সাথে রাষ্ট্র ও তার সহযোগী আর্মিরা তাদের স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে।এখন তারা আমাদের চারপাশে ভোগ্যসামগ্রীর সমাবেশ ঘটিয়ে গড্ডালিকা নামক প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয়ার আয়োজনে ব্যস্ত। আমরাও সে আয়োজনে নিজেদের ভাসিয়ে দিয়েছি। ফলে ভুলে গিয়েছি পাহাড়ে গণহত্যাগুলোর কথা, সাধারণ পাহাড়িদের দুর্ভোগের কথা। কিন্তু আমাদের জানতে হবে, শিখতে হবে আর সতর্ক হতে হবে। নইলে আমাদের অস্তিত্ব আমরা কেউ রক্ষা করতে পারবো না।

 

রেফারেন্সঃ

Houssain Hayat, 1986. “Problem of National Integration of Bangladesh ” in S.R. Chakravarty and Virendra Narain (edits), Bangladesh, Vol 1: History and Culture. pp. 196-211. Delhi: South Asian Publishers.

About the author

অজল দেওয়ান

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2845

3 comments

4 pings

  1. N D CHAKMA

    তথ্য, উপাত্ত এবং সংঘটিত হত্যাকান্ড ভয়াবহ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ব পরবর্তী একাত্তর। কলমপতি (কাউখালি) হত্যাকান্ডঃ ২২ মার্চ, ১৯৮০ সালে উপমহাদেশে রোমহর্ষক রাষ্ট্র কতৃক পরিকল্পিত সংঘটিত হত্যাকান্ড। অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া গুরুদাস চাকমার সহিত আরও অনেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। বতর্মানে ভারতবাসী। ভয়াবহ হত্যাকান্ডটি হত্যা, অগ্নি, ধষর্ন, গুম এমন কোন অপরাদ বাদ যায়নি যাহা হয় নাই। মায়ের সামনে নিজের মেয়ে, বাবার সমনে নিজের পুএবধুকে ধর্ষণ করা হয়। যাহোক ইতিহাসটি সুন্দর হয়েছে এক কথায়। আর বাস্তবতা।

  2. Sajib Chakma

    অসাধারণ তথ্যবহুল লেখা . ধন্যবাদ অজল দা কে । অনেক কিছু জানতে পারলাম ।

  3. Jchakma

    Ofcourse, people can live anywhere, but obviously by not grabing others lands.We are not grabing any one’s property, we are not killing, not raping any one while living in plain land Mr. Muhammad Sarker. How do you feel about 1971? where lots of family lost their love one, lots of women were raped bu Pak Army, it seems that you appreciate Pak Army, then Pak Govt. Otherwise you couldnot write this. Please be a Human.

  4. Ajal Dewan

    অনেক বড় বড় কথা বলা যায়। হেন হয়েছে, তেন হয়েছে এসব বলা যায় খুব সহজে। কিন্তু রেফারেন্স দিয়ে তা উপস্থাপন করা যায় না। আপনি তো অনেক বলছেন তার পক্ষে কোন শক্ত রেফারেন্স দিন। তারপর চিল্লাতেই আসুন।

  5. Ajal Dewan

    রেফারেন্স দেন। এরপর কথা বলেন। আগে রেফারেন্স চাই

  6. Muhammad Sarkar

    Sontrur sontrasi bahinio onek bangali hotta korece… Pahar bangladesher sobar..sobai sekhane thakte parbe jevabe upajatider bd ar onno jaigate thakte kew badha dei na…atei somadhan

  7. দূর্লব তালুকদার

    অসাধারণ তথ্যবহুল লেখা।
    সবাইকে পড়ার আমন্ত্রণ র'ল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>