«

»

এই লেখাটি 751 বার পড়া হয়েছে

Print this প্রকাশনা

ফিরে যাই সেই দিনগুলিতে

10394797_10204232401439923_13499416848813566_n

 

“ফিরে যাই সেই দিনগুলিতে” মূলত স্মৃতিচারনমূলক অনুষ্ঠান।

ইতিহাসের যে স্রোতধারায় আজ আমরা এখানে পৌঁছেছি সেখানে আমাদের সমৃদ্ধ সময় আছে,আছে কাপ্তাইয়ের জলে ডোবা জলমগ্ন ইতিকথা, আছে প্রতিরোধ-প্রতিশোধ-বারুদে জ্বলে উঠা দীপ্ত ইতিহাস, আছে সেটলার রাষ্ট্রের নিপীড়নে-আগ্রাসনে ভিটেছাড়া হয়ে শরনার্থী হবার অশ্রুগাথা, আছে রাষ্ট্র্বের আর্মি-সেটলারের গনহত্যায় রক্তাক্ত শব্দাঞ্জলী, আছে কান্না, আছে সংগ্রাম, আছে প্রত্যাশা, আছে আগামীর স্বপ্ন…




এই ইতিহাস কালানুক্রমিক ভাবে একে একে তুলে ধরবেন সেইসব সময়ের জীবন্ত সাক্ষী।

একজন চারনশিল্পী থাকবেন যিনি কাপ্তাই বাঁধের অশ্রুজলে ডোবার আগে হাসি আর গানের উচ্ছল স্বর এবং সুরে আমাদের জনপদকে মাতিয়ে রাখতেন।

এক জীবন্ত গাছ-পাথর সেদিন কথা বলবেন। তিনি বলবেন আমাদের সেইসব সুখি-সমৃদ্ধ দিন এবং অনেক স্বপ্নীল রাতের কথা। তিনি বলবেন আমাদের সেই সব রাত এবং দিন কিভাবে কাপ্তাইয়ের অশ্রু জলে ডুবে গিয়েছিল। প্রায় একলক্ষ মানুষ জলের তোড়ে ভেসে ভেসে অন্য ডাঙায় উঠেছিলো…

একজন গেরিলা সেদিন শোনাবেন তাঁর প্রিয় মেশিনগানের বারুদের ছন্দ। আমাদের প্রতিরোধ সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। মেশিনগানের বজ্রনির্ঘোষে জীবনের প্রত্যাশা। জঙ্গলে ভিতরে মশা, জোঁক, সাপ সহ স্বাপদশংকুল অরন্যে টিকে থেকেও জনপদকে মুক্ত করার লড়াই।

গনহত্যায় বেঁচে ফেরা একজন মানুষ শোনাবেন কিভাবে হায়েনাদের হত্যাযজ্ঞে বলি হয়েছিল আমাদেরই ভাই-বোন-আপনজন।

 একজন ভারতগত শরনার্থী শোনাবেন শরনার্থী শিবিরে টিকে থাকার সংগ্রাম কেমন ছিলো।


এইসব ইতিহাস আমাদের রোজকার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। কেননা এইসব ইতিহাস আমাদের ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন-আগ্রাসন থেমে নেই।
খুব শংকার সাথেই আমরা বলছি,
এই নিপীড়নের শেষ হয়তো সেদিনই হবে যেদিন আমরা আমাদের স্বকীয় পরিচয় হারিয়ে এসিমিলেটেড হয়ে যাবো অথবা মার্জিনালাইজড হতে হতে মার্জিনের ওপারেই চলে যাবো।

 আমরা সেদিনের সেইসব ইতিহাস থেকে প্রেরনা পেতে চাই। আমরা নতুন দিনের দিশা দেখাতে আগের দিনগুলোই একবার ফিরতে চাই।

 

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ ও সময়ঃ ১১ই জুলাই শুক্রবার বিকাল ৩টা। স্থানঃ আর সি মজুমদার মিলনায়তন, কলা ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

About the author

অজল দেওয়ান

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2801

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>