«

»

এই লেখাটি 797 বার পড়া হয়েছে

Print this প্রকাশনা

ব্রিঃ জেনারেল মো: সারওয়ার হোসেন-এর “পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমিবিরোধঃ প্রেক্ষাপট ও শান্তির সম্ভাবনা” -এর উপর চাকমা রাজার মন্তব্য

[ফেসবুক গ্রুপে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সারওয়ার হোসেন-এর লেখার উপর চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের মন্তব্য চোখে পড়েছে। রাজা দেবাশীষ রায় মূল মূল জায়গায় আলোকপাত করেছেন। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সাধারণ পাঠকের কাছে তুলে ধরার জন্যে বাংলা অনুবাদ করা হলো।]

সাধারণ মন্তব্য:

আশাব্যঞ্জক কথা হচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী(বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ)সহ সরকারী কর্মকর্তারাও পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক গবেষণা ও ঐতিহাসিক লেখাজোখার উপর নিজেদের সম্পৃক্ত করছেন, যদিও সেই সংখ্যাটা এখনো কম। সামিগ্রকভাবে বাংলাদেশের, এমনকি জুম্ম/আদিবাসী/পাহাড়ী জনগণের খুব কম লোকই এ ধরণের চর্চার সাথে সম্পৃক্ত আছেন। এ ধরনের আরো লেখালেখি হলে সুষ্ঠু বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে, যা আশান্বিতভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসকে ভালোভাবে বুঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে এবং ফলশ্রুতিতে তা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বর্তমান প্রেক্ষাপটের ঐতিহাসিক ভিত্তি সম্যকভাবে অনুধাবন করতে সাহায্য করবে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারওয়ার সাহেব চট্টগ্রামের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসকে যেভাবে গুলিয়ে ফেলেছেন, তাতে সমতল চট্টগ্রামের ইতিহাসকেও সামগ্রিকভাবে জানা যাবে না, যদি পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানা না হয়।কেননা, দু’টো অঞ্চল পরস্পরের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, অন্তত গত চার শতাব্দি বা তারও কিছু সময় ধরে।

কিন্তু নির্মম পরিহাসের বিষয়, দু’টো অঞ্চলের ইতিহাসকে পৃথকভাবে না জেনে এ দুই অঞ্চলের সম্পর্কগত প্রেক্ষাপট থেকে সমতল চট্টগ্রাম ও পার্ববত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসকে এক করে ফেলা হয়।বিষয়টি আরও জটিলতর করে ফেলা হয় যখন ১৮৬০ সাল থেকে পার্বত্য অঞ্চলের সাথে ভুল নাম “চট্টগ্রাম” জুড়িয়ে দেওয়া হয়।

এটাও উল্লেখ করা ভালো, পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের অনেকেই কেবল পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়, সমতল চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়ও শতাব্দীকাল ধরে বসবাস করেছিলো।আরো ঐতিহাসিকভাবে অকাট্য সত্য হলো, মীর কাসিম আলী খান, যিনি নবাব বা মুঘল আমলে বাংলার অর্ধ-স্বাধীন গভর্ণর ছিলেন, ১৭৬০ সালে বা পরে (বক্সার যুদ্ধের পর)ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে বাংলার দেওয়ানী হস্তান্তর করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম কখনো এই দেওয়ানী বাংলার অংশ ছিলো না।

ব্রিগেডিয়ার সাহেবের লেখার আরো কিছু মন্তব্য করা হয়েছে, যেগুলো করা হয়েছে অসত্য তথ্য এবং ব্রিটিশ উপনিবেশিক আমলের লেখক ও অন্যান্য গতবাঁধা (‘statist’) ও উপনিবেশিকদের ইতিহাস ব্যাখ্যার উপর প্রশ্নহীনভাবে অতিমাত্রায় নির্ভর করার কারণে, এবং সেই ধরনের ইতিহাস ব্যাখ্যা কখনো কখনো বর্ণবাদপ্রসূত, বহুলভাবে অসত্য এবং খন্ডিত।

আমার লেখাতে (Questions on Political & Constitutional Crises in the Chittagong Hill Tracts: Seeking Answers in History & Historiography) বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। নিচে সেসবের কিছু মন্তব্য দেওয়া হলো। আমার উল্লেখিত লেখাটি বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক সেমিনারে (৩১ মার্চ – ১ এপ্রিল ২০১১) আমার পক্ষে উপস্থাপন করা হয়। এই লেখাটি শীঘ্রই চাকমা রাজ ওয়েবসাইটে (www.chakmaraj.com) পোস্ট করা হবে।

১৬৬০ সালে মুঘলদের পার্বত্য চট্টগ্রামে উপস্থিতি এবং বাঙালিদের বসতিস্থাপনের সময় প্রসঙ্গে:

১৬৬০ সালে মুঘলদের পার্বত্য চট্টগ্রামে উপস্থিতি এবং বাঙালিদের বসতিস্থাপনের সময় সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। এমনকি ক্যাপ্টেইন লুইনও, যার কথা ব্রিগেডিয়ার সাহেব উল্লেখ করেছেন, স্বীকার করেছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্রিটিশ ও মুঘলদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রন বলয়ের বাইরে ছিলো, যেটা উপনিবেশিক ব্রিটিশ লেখক (যেমন Hutchinson) এবং বাংলাদেশী ঐতিহাসিক (সিরাজউদ্দীন, কানুনগো) এবং বর্তমান সময়ের উপরোপীয় লেখকরাও (Van Schendel, Mey et al) স্বীকার করেছেন।

 

মুঘল সৈনিকদের সাথে চাকমা নারীদের বিবাহ ও মুঘল সেনাপতিদের (চাকমাদের) রাজা হওয়া প্রসঙ্গে:

হাচিনসনের লেখায় যদিও কিছু কিছু জায়গায় মুঘল সৈন্যদের সাথে মগ (ভুল) নারীদের বিবাহের ফলে চাকমাদের উৎপত্তি (তা ঐতিহাসিকভাবে কখনো সমর্থিত হয়নি) বলে উল্লেখ থাকলেও এই প্রথম চাকমার নারীদের সাথে মুঘল সৈন্যদের বিবাহ হয়েছিলো এমন কথা জানা গেল।ব্রিগেডিয়ার সাহেবের এ কথার কোন ঐতিহাসির প্রমাণ নেই (যদিও চাকমা গেংখুলীদের পালাগানে এক চাকমা রাণী মুসলিম নারী ছিলেন বলে কথিত আছে)।

মুঘল সেনাপতিদের চাকমাদের রাজা হওয়া নিয়েও একই কথা প্রযোজ্য – এই বিষয়ে কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। এ ধরনের কথাবার্তা বোধয় ব্রিটিশ প্রশাসকদের অতিমাত্রায় অনুর্বর ব্যক্তিগত ও অ-একডেমিকসুলভ অভিমত থেকে এসেছে। এ ধরনের কথাবার্তা পদ্ধতিগতভাবে উপযুক্ত কোন গবেষণা দ্বারা কখনো সমর্থিত হয়নি।বরং এ ধরনের কথাবার্তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

হযরত (রাঃ) নামে আলীক্যয়াদং  নামকরণ প্রসঙ্গে:

লেখক উল্লেখ করেছেন, ‘আলীকদম’ উপজেলার নাম হযরত আলী (রাঃ) থেকে এসেছে। কিন্তু আমরা যদি ব্রিটিশদের মৌজা নথিপত্র দেখি, সেখানে লেখা আছে ‘আলীক্যয়াদং’ (Alikwadang), ‘আলীকদম’ (“Alikadam”) নয়; প্রথমোক্তটি মারমা ভাষার শব্দ। আমাদের মারমা বন্ধুরা এ বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে পারেন।

সেটেলার বাঙালিদের বরাদ্দকৃত “খাস” জমি উপজাতীদের দখল এবং উপজাতিদের নিজস্ব ভূমি দাবীর প্রেক্ষিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার জটিলতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে:

এটা বহুমাত্রিক সমস্যার একটি মাত্র দিক। ভূমি সমস্যার সামিগ্রক চিত্র বুঝতে হলে অন্যান্য  দিকগুলোও দেখতে হবে। যেমন, ক)পাহাড়ীদের নামে বন্দোবস্তকৃত জমি ১৯৮০ দশকে আবার বাঙালি সেটেলারদের নামে পুনরায় বরাদ্দ করা; খ) সেটেলার বাঙালিরা যেসব জমি বেদখল করেছিলো সেগুলো কেবল প্রথাগত আইনের আওতায় নয়, লিখিত আইন বলেও পাহাড়ীরা দাবী জানায়; গ) সেটেলার বাঙালিরা “নিরাপত্তা” জোনের মধ্যে বসবাস করে, কিন্তু তারপরেও জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে, ইত্যাদি।

 

পার্বত চুক্তি শান্তি স্থাপনে নয়, বিচ্ছিনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে প্রসঙ্গে:

লেখক বেছে বেছে কিছু শান্তিচুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে “শান্তি” প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং বিচ্ছিন্নতার দিকে টেনে নিয়ে গেছেন। যেমন, সুদান, সোমালিয়া, এঙ্গোলা, রুয়ান্ডা। কিন্তু এর বিপরীতে অনেক উদাহরণ আছে, যেখানে “চুক্তির” মাধ্যমে এবং“যুদ্ধবিরতির” মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব হয়েছিলো। যেমন, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড (১৯৯৭ সাল থেকে এখনও বলবৎ আছে), ত্রিপুরা রাজ্য (অন্তত আংশিক হলেও); আচেহ (ইন্দোনেশিয়া); বাংসা মোরো (যেটা ফিলিপাইনে মুসলিম মিন্ডানাও হিসেবে পরিচিত ছিলো); মায়ানমার/বার্মা (শান, চিন, কারেন জনগোষ্ঠী); গুয়াতেমালা; নিকারাগুয়ে ও মেক্সিকো।

পার্বত্য চুক্তি ও সুপ্রিম কোর্টে মামলা প্রসঙ্গে:

  লেখক বলতে চেয়েছেন, পার্বত্য চুক্তি ১৯৯৭ এবং এর কিছু ধারার বৈধতা প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টে মামলা থাকার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া বায় স্থগিত করে দিয়েছেন (মো: বদউজ্জামান বনাম বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য; রিট নং: ২৬৬৯, ২০০০), সেহেতু আঞ্চলিক পরিষদের কার্যক্রম “স্থবির” হওয়ার জন্যে কেবল এটা এবং অবশ্যই এটা মূল কারণ হতে পারে না।

সে যা হোক, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের গঠনের (১৯৯৮) প্রায় এক দশক পরে ২০১০ সালের এপ্রিল (১২ ও ১৩ এপ্রিল ২০১০) হাইকোর্টের এই রুলিং এসেছে। কাজেই এখানে কেবল মামলা নয়, অন্যান্য অনেক বিষয় কাজ করছে।

লেখক আরো বলতে চেয়েছেন, আপিল বিভাগ হাইকোটের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের আবেদন স্থগিত করে দিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত বিষয়টা হলো, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া রায় (পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের কার্যক্রম ও জেলা পরিষদ ও সার্কেল চীফের কিছু কার্যক্রমসহ) স্থগিত করে দিয়েছেন।

 

পার্বত্য চুক্তি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ভূমি ইজারা, হস্তান্তর ইত্যাদি প্রশ্নে ৬৪ ধারা প্রসঙ্গে্:

লেখক পার্বত্য চুক্তির ৬৪ অনুচ্ছেদের আওতায় ভূমি ইজারা, হস্তান্তর ইত্যাদির ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ভূমিকার (যা আপিল বিভাগে স্থগিত আছে) কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বোধয় পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর ৬৪ ধারার সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। এই ৬৪ ধারার বলে জেলা পরিষদসমূহকে ভূমি বন্দোবস্তি, ইজারা, অধিগ্রহণ ও হস্তান্তর বাতিল বা সম্মতি প্রদানের অধিকার দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চুক্তিতে ৬৪ ধারা বলতে কিছুই নেই।

কিন্তু উল্লেখিত মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ জেলা পরিষদ আইনের ৬৪ ধারাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেননি।

আইএলও কনভেনশন ১৬৯ এবং সামরিক অভিযান শুরুর ব্যাপারে স্থানীয় জনগণের সম্মতি আদায়ের শর্তাবলী প্রসঙ্গ:

লেখক আইএলও কনভেনশন ১৬৯-এর উপর নির্জলা ভুল তথ্য জেনেছেন। তিনি এই কনভেনশকে এমনভাবে উল্লেখ করেছেন, মনে হতে পারে সামরিক অভিযান শুরুর করার আগে সত্যি সত্যি স্থানীয় জনগণের সম্মতি নিতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, উক্ত কনভেনশনে সেরকম কোন অনুচ্ছেদ নেই।

প্রয়াত বোমাং চীফের “পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী নেই” দাবী প্রসঙ্গে: 

লেখক সম্ভবত প্রয়াত বোমাংগ্রি অংশুই প্রু চৌধুরীর ভিডিও ধারণকৃত সাক্ষাৎকারের কথা বলতে চেয়েছেন; সেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন বোমাং রাজ পরিবারের পূর্ববংশধররা কখনো আদিবাসী বা উপজাতি ছিলেন না, কারণ রাজ পরিবার অভিজাত বার্মিজ সম্প্রদায়ের বংশধর হিসেবে পরিচিত। কিন্তু রাজা সাধারণভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগণকে বোঝাননি।

রাজা দেবাশীষ রায়ের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে আদিবাসী পরিচিতি বিষয়ে কাজ না করা প্রসঙ্গে :

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্বপালনকালীন সময়ে রাজা দেবাশীষ রায় ৯ আগস্ট ২০০৮ তারিখে ঢাকায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এমনকি বাংলাদেশের আদিবাসীদের অধিকারের সপক্ষে একটি লিখিত বাণীও দিয়েছিলেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ড. ফখরুদ্দিন আহমেদও এই উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছাবাণী দিয়েছিলেন, সেটা বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত ও সঞ্জীব দ্রং কর্তৃক সম্পাদিত “Solidarity” ম্যাগাজিনে ছাপানো হয়। ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী (এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী) বেগম খালেদা জিয়াও আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে লিখিতভাবে একই রকম শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছিলেন।

******************

মূল লেখাঃ  চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশিষ রায় ওয়াংঝা

অনুবাদ করেছেনঃ অডঙ চাকমা, ২৩ আগস্ট ২০১৩

মূল ইংরেজী ভার্সনটি CHT Views ফেসবুক গ্রুপ থেকে নেওয়া হয়েছে:

http://www.facebook.com/groups/311941185570112/permalink/461752013922361/

About the author

অডং চাক্‌মা

Permanent link to this article: http://chtbd.org/archives/2227

1 ping

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>